শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

।। চিন্তা চেতনায় মানবপ্রেম।।


কবি ও ছড়াকার সাজ্জাদ আহমদ সাজু:
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২২ পিএম

।। চিন্তা চেতনায় মানবপ্রেম।।
প্রকৃতি আমায় টানে। তাই বার বার ছুটে চলি প্রকৃতির সনে মিতালি করতে। যখন যেখানে সেখানে আমার মন গাড়ি চলে। ভাব চলে প্রকৃতির ভালোবাসার ছন্দকাননে। মনের সাথে প্রকৃতির ভাবখানা ইচ্ছেমাফিক খেলা করে। তাইতো বার বার মনের গহীনে সকলের অজান্তে মিনতি করি। চিন্তা করি, মানুষ নিয়ে, সমাজ নিয়ে, প্রকৃতির গাছপালা, পশু পাখি, নদী নালা, হাওর কিংবা নদী সাগরের অতল গহব্বর। কখনো ছন্নছাড়া মানুষের জীবনখেলা। স্রষ্টার সৃষ্টি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। অন্যের সুখে খুশি থাকা আর ওপরের কষ্টে শরিক হওয়া। এই নীতিতে মানবপ্রেমে সাঁতরাতে থাকি জীবনভর। একসময় বিক্তিগত পাঠাগার থেকে ১৯৮৯ ইং সালে এলাকায় আলোর অন্যেষনের জন্য গড়ে তুলি, সমাজকে আলোকিত করতে প্রতিষ্টা করি "অঙ্কুর সাহিত্য পাঠাগার"। তখন অনেকেরই অর্থের অভাব না হলেও অন্যের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা খুব কমই ছিল। নিজের টিফিনের টাকা বাচিয়ে সেই টাকা দিয়ে নতুন নতুন বই ক্রয় করে পাঠাগারের জন্য নতুন বই যুক্ত করি। তবুও ভাবতে থাকি স্রষ্টার দেয়া সুখ, দুঃখ, হাসিকান্না, অতীত বর্তমান, ভবিষ্যতের পরিপাঠী নিয়ে কখন বা ভাবতে থাকি দেশ, জাতি, সামাজিক ভূ - মন্ডলে সৃষ্টির লীলাকীর্তন মানবজাতীর উত্থান- পতন,কখনও বা জীবনের ছন্দ পতন, মানবের রসাতলের বিষয়বস্তু। আনবিক বোমার প্রতিযোগিতা আর দেশে দেশে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা,পারমানুবিক তৈরী,মিসাইল সনিক,পরমানুর প্রতিযোগিতা, মানুষে মানুষে বিবেধ সৃষ্টি, নিজেকে ভালো রাখার বিগ্ঙাপন এসব থেকে সৃষ্টির জীবকে বাঁচাতে হবে। পৃথিবীতে শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে।তাইতো, ইসলামে একটা কথা আছে, দ্বিন ইসলাম মানে অন্যের সহযোগিতার নাম ই দ্বিন। নিজে পরিপাটি থেকে সুখ আর আরাম আয়েসে থাকার নাম দ্বিণ নয়। দ্বিণ হলো একে ওপরের সুখ - দুঃখে কাছে পাওয়া। আর অন্যের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। তাইত এভাবে আমার একটি লেখায় বলেছিলাম। "মানুষ নিয়ে ভাবতে থাকি / আমি তো ভাই মানুষ মানুষ আবার তৈরী কিসের / সব ই লাগে ফানুষ। মানুষের এক হৃদয় আছে / করে নাচানাচি সেই হৃদয়ের বিশাল ক্যাম্পাস / জমি রাশি রাশি"। "কেউবা সুখে অট্রালিকায় / টাকার পাহাড় গড়ে ডাস্টবিনে কেউ জীবন কাটায় সবার অগোচরে"। বিশাল এক মানবগুষ্টির সাথে মেধাঞ্জানে যুদ্ধ করে সহ পাঠিদের সহযোগিতায় জয়ী হই। তর তর করে সমাজের প্রতিটি কাজে এগুতে থাকি ১০৭৩ খ্রিস্টাব্দেরে ১৬ জানুয়ারী পৃথিবীর অন্ধকার চীরে ভবের আলোয় উদ্ভাসিত হই। পরিবারের আদরের সন্তান হওয়াতে সকলের আহলাদে বড় হই সিলেট শহরের অতি প্রাচীনতম মহল্লা নামে পরিচিত টুলটিকর গ্রামে। সিলেটের প্রথম মুসলমান খ্যাত গাজী বুরহান উদ্দীন (র:) এর স্মৃতিধণ্য সুরমা নদীর তীর ঘেঁষে ছোট বড় টিলা বেষ্টিত টুলটিকর গ্রাম। যা এখন আর সেই ছোট বড় টিলা বেষ্টিত গাছ পালার সমারোহ খুব কমই দেখা যায়। চীর চেনা সবুজ গ্রামটি এখন নানা রঙের দালান কোঠায় পরিপূর্ণ। ঐতিহাসিক বিশ্লেষকদের মতে এর পূর্ব নাম ছিল শ্রীহট্ট, জ্বালালাবাদ, শিলহট থেকে সিলেট, মিউনিসিপালিটি, সিলেট পৌরসভা থেকে বর্তমানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ২৪ নং ওয়ার্ডের মধ্যে অন্যতম ও ঐতিহাসিক দিক থেকে পরিচিত ও সুনামধন্য হচ্ছে টুলটিকর গ্রাম।এই এলাকায় অনেক নামি দামী ব্যাক্তিবর্গের জন্ম ও আগমনে এলাকাকে সমৃদ্ধ ও সুনাম করে রেখেছে। আমি ১৯৮৪ সনে গাজী বোরহান উদ্দীন সর, প্রাথ, বিদ্যালয় থেকে প্রাইমারি শেষ করে সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সনে এস এস সি পাস করে সিলেট সরকারি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করি ১৯৯১সালে এবং ১৯৯৫ সালে ডিগ্রি পাস করি। পরবর্তী সময়ে উচ্চকাঙ্খিত অর্থের পাহাড় না গড়লেও এখন পর্যন্ত সুনামের সহিত ব্যাবসা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি সিলেটের মাটিতে সাংবাদিকতা ও লেখালেখির সাথে জড়িত। সাহিত্যের সুবাধে সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের আজিবন সদস্য (২০৮৩ নং) বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে কাজ করেছি। আমি ১৯৯৭ সাল আমার প্রথম সাংবাদিকতার যাত্রা ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক নিরপেক্ষ পত্রিকার সিলেট প্রতিনিধি এবং সাপ্তাহিক গোলাপের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, পরবর্তীতে নিজস্ব সাপ্তাহিক জনতার ডাক এর সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব ও দৈনিক সিলেট বাণী পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টারের কাজ করি। যা বর্তমানে মাই সিলেট টিভির এডমিন হিসাবে আছি। এবং ২০১৯ সালে সিলেট সদর উপজেলা প্রেসক্লাব এর প্রতিষ্টাতা সভাপতি, সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ সম্পাদক ও বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা শাহপরান থানার সভাপতি হিসাবে কাজ করে যাচ্ছি। ২০১৯/২০ সেশনের টুসকস এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করি যা এই ধরাতে মানবপ্রেম সমাজ হিতৈষী হওয়া বড় দুস্কর। কাজ করে মনে হয় কিছুই করতে পারিনি। সমাজ সেবায় কাজ করার সুবাধে অনেকগুলোর মধ্যে বৃক্ষরোপন, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান, বন্যার্থদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ, শীতার্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ, সাহিত্য কার্যক্রম সহ অনেকগুলো কাজ। তাইত বলি... " সাবান মাসের চাঁদের সনে/ বিশ্বের মুসলমান রহমতেরই পয়গাম নিয়ে / আসে যে রমজান।" টুলটিকর সমাজ কল্যাণ সমতি ও এলাকার মানুষের সহযোগিতায় এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণদের নিয়ে রমজান মাসে ইফতার মাহফিল সহ সামাজিক কাজে যুক্ত রাখা। "গরীব ধনী ছোট্ট বড় / সবাই করে আশা রোজা রেখে চায় সকলে / রবের ভালোবাসা।" রমজান শেষ হতে না হতে চলে আসে বাংলার জৈষ্ট মাস। সামাজিক কাজের ফাঁকে ফাঁকে বাংলার মৌসুমী ফলের মৌ মৌ গন্ধে পাখ -পাখালীর ডাকাডাকি। " জ্যৈষ্ঠ মাসে পাঁকে জানি / জামরুল এবং আম আরও পাঁকে কাঁঠাল এবং / কালো কালো জাম। " সর্বস্তরের মানুষদের নিয়ে মৌসুমী ফলের আপ্পায়নের ব্যবস্তা করি। এই মাসে বাংলার চিরাচরিত রূপ পাল্টাতে থেকে। এই দুনিয়ায় প্রতিটি মানুষের আচার আচরণ, তাঁর কাজকর্ম, চলন ফিরন, জ্ঞান বুদ্ধি ও কাজের সফলতাই বলে দেয় এই সমাজে কোন মানুষের দরকার। সমাজ সংস্কতিই বলে দেবে তাঁর প্রয়োজনীয়তা। হোক সেটা পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র কিংবা প্রতিষ্টান। নিজ কর্মক্ষেত্র বলে দেবে কখন কী করতে হবে। শীত আসলে অসহায় গরীব শীতার্থ মানুষের মাঝে শীত বস্র বিতরণ করার কথা। নিজের মনের মধ্যে অনেক আশা আকাঙ্খা ছিলো এই সমাজের জন্য অনেক কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার। কিন্তূ পরিস্তিতি বিবেচনায় অনেককিছু করতে পারিনি। ইচ্ছে ছিলো অনেক, অনেক দ্বাদ, মনের বাসনা, সমাজের উন্নয়নের জন্য নিজের ইচ্ছেগুলো উড়িয়ে দিতে নীল আকাশের নিচে, সবুজ শ্যামল রূপসী বাংলার মানুষের আশা আকাঙ্খা পূরণের জন্য। সমাজের প্রতিটি মানুষের মুখে হাঁসি ফুটিয়ে উন্নয়নের পতাকা উড়াতে। ইচ্ছে থাকা স্বত্ত্বেও অনেক কিছু সম্পন্ন করতে পারিনি। কিন্তূ কী হলো? আমি ও তো মাটির মানুষ, মা, মাটি ও সমাজকে ভালোবাসি। সারাজীবন ভালোবেসে যাবো। কারো কাছ থেকে কিছু পাওয়ার আশা করিনা, কিন্তূ অনেক কিছু দেওয়ার ইচ্ছা থাকে। জীবনে কোনো না কোনো ক্ষেত্রে সমাজের মানুষের কাজের সাথে মিলেমিশে আছি এবং থাকবো সারাজীবন। আমি মনে করি পরবর্তী জেনারেশন যেনো এই সমাজের কাজকর্ম পূর্ণ করে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে ই প্রত্যাশা রাখি। সর্বোপরি বলে যাই, "বিবেক ও মানুষ্যত্ত্ববোধ জাগ্রত হোক সকলের হৃদয়ে।"

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

শাল্লার কান্দিগাঁও গ্রামের ঐতিহ্যবাহ নৌকা বাইচ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী

শাল্লার কান্দিগাঁও গ্রামের ঐতিহ্যবাহ নৌকা বাইচ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ

ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

২১৭ কোটি টাকার রেল প্রকল্পে ধীরগতি, মেয়াদ শেষেও বাকি ৭৫ শতাংশ কাজ

২১৭ কোটি টাকার রেল প্রকল্পে ধীরগতি, মেয়াদ শেষেও বাকি ৭৫ শতাংশ কাজ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবা চালু

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবা চালু

কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি' সিলেট বিভাগীয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ

কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি' সিলেট বিভাগীয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর, প্রস্তুতিমূলক সভায় মন্ত্রীর নির্দেশনা

১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর, প্রস্তুতিমূলক সভায় মন্ত্রীর নির্দেশনা

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ভ্যান সরানো নিয়ে কথা-কাটাকাটি, পরে যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ

ভ্যান সরানো নিয়ে কথা-কাটাকাটি, পরে যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ

খাদিমনগরে সরকারি খাস জমিতে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা স্থাপনের অভিযোগ

খাদিমনগরে সরকারি খাস জমিতে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা স্থাপনের অভিযোগ

খাদিমনগরে খাস জমি দখলের অভিযোগ, পাহাড় কেটে গড়ে উঠছে প্লট

খাদিমনগরে খাস জমি দখলের অভিযোগ, পাহাড় কেটে গড়ে উঠছে প্লট

সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ!

সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ!

সিলেট এডিশন

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


।। চিন্তা চেতনায় মানবপ্রেম।।

প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image
প্রকৃতি আমায় টানে। তাই বার বার ছুটে চলি প্রকৃতির সনে মিতালি করতে। যখন যেখানে সেখানে আমার মন গাড়ি চলে। ভাব চলে প্রকৃতির ভালোবাসার ছন্দকাননে। মনের সাথে প্রকৃতির ভাবখানা ইচ্ছেমাফিক খেলা করে। তাইতো বার বার মনের গহীনে সকলের অজান্তে মিনতি করি। চিন্তা করি, মানুষ নিয়ে, সমাজ নিয়ে, প্রকৃতির গাছপালা, পশু পাখি, নদী নালা, হাওর কিংবা নদী সাগরের অতল গহব্বর। কখনো ছন্নছাড়া মানুষের জীবনখেলা। স্রষ্টার সৃষ্টি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। অন্যের সুখে খুশি থাকা আর ওপরের কষ্টে শরিক হওয়া। এই নীতিতে মানবপ্রেমে সাঁতরাতে থাকি জীবনভর। একসময় বিক্তিগত পাঠাগার থেকে ১৯৮৯ ইং সালে এলাকায় আলোর অন্যেষনের জন্য গড়ে তুলি, সমাজকে আলোকিত করতে প্রতিষ্টা করি "অঙ্কুর সাহিত্য পাঠাগার"। তখন অনেকেরই অর্থের অভাব না হলেও অন্যের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা খুব কমই ছিল। নিজের টিফিনের টাকা বাচিয়ে সেই টাকা দিয়ে নতুন নতুন বই ক্রয় করে পাঠাগারের জন্য নতুন বই যুক্ত করি। তবুও ভাবতে থাকি স্রষ্টার দেয়া সুখ, দুঃখ, হাসিকান্না, অতীত বর্তমান, ভবিষ্যতের পরিপাঠী নিয়ে কখন বা ভাবতে থাকি দেশ, জাতি, সামাজিক ভূ - মন্ডলে সৃষ্টির লীলাকীর্তন মানবজাতীর উত্থান- পতন,কখনও বা জীবনের ছন্দ পতন, মানবের রসাতলের বিষয়বস্তু। আনবিক বোমার প্রতিযোগিতা আর দেশে দেশে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা,পারমানুবিক তৈরী,মিসাইল সনিক,পরমানুর প্রতিযোগিতা, মানুষে মানুষে বিবেধ সৃষ্টি, নিজেকে ভালো রাখার বিগ্ঙাপন এসব থেকে সৃষ্টির জীবকে বাঁচাতে হবে। পৃথিবীতে শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে।তাইতো, ইসলামে একটা কথা আছে, দ্বিন ইসলাম মানে অন্যের সহযোগিতার নাম ই দ্বিন। নিজে পরিপাটি থেকে সুখ আর আরাম আয়েসে থাকার নাম দ্বিণ নয়। দ্বিণ হলো একে ওপরের সুখ - দুঃখে কাছে পাওয়া। আর অন্যের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। তাইত এভাবে আমার একটি লেখায় বলেছিলাম। "মানুষ নিয়ে ভাবতে থাকি / আমি তো ভাই মানুষ মানুষ আবার তৈরী কিসের / সব ই লাগে ফানুষ। মানুষের এক হৃদয় আছে / করে নাচানাচি সেই হৃদয়ের বিশাল ক্যাম্পাস / জমি রাশি রাশি"। "কেউবা সুখে অট্রালিকায় / টাকার পাহাড় গড়ে ডাস্টবিনে কেউ জীবন কাটায় সবার অগোচরে"। বিশাল এক মানবগুষ্টির সাথে মেধাঞ্জানে যুদ্ধ করে সহ পাঠিদের সহযোগিতায় জয়ী হই। তর তর করে সমাজের প্রতিটি কাজে এগুতে থাকি ১০৭৩ খ্রিস্টাব্দেরে ১৬ জানুয়ারী পৃথিবীর অন্ধকার চীরে ভবের আলোয় উদ্ভাসিত হই। পরিবারের আদরের সন্তান হওয়াতে সকলের আহলাদে বড় হই সিলেট শহরের অতি প্রাচীনতম মহল্লা নামে পরিচিত টুলটিকর গ্রামে। সিলেটের প্রথম মুসলমান খ্যাত গাজী বুরহান উদ্দীন (র:) এর স্মৃতিধণ্য সুরমা নদীর তীর ঘেঁষে ছোট বড় টিলা বেষ্টিত টুলটিকর গ্রাম। যা এখন আর সেই ছোট বড় টিলা বেষ্টিত গাছ পালার সমারোহ খুব কমই দেখা যায়। চীর চেনা সবুজ গ্রামটি এখন নানা রঙের দালান কোঠায় পরিপূর্ণ। ঐতিহাসিক বিশ্লেষকদের মতে এর পূর্ব নাম ছিল শ্রীহট্ট, জ্বালালাবাদ, শিলহট থেকে সিলেট, মিউনিসিপালিটি, সিলেট পৌরসভা থেকে বর্তমানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ২৪ নং ওয়ার্ডের মধ্যে অন্যতম ও ঐতিহাসিক দিক থেকে পরিচিত ও সুনামধন্য হচ্ছে টুলটিকর গ্রাম।এই এলাকায় অনেক নামি দামী ব্যাক্তিবর্গের জন্ম ও আগমনে এলাকাকে সমৃদ্ধ ও সুনাম করে রেখেছে। আমি ১৯৮৪ সনে গাজী বোরহান উদ্দীন সর, প্রাথ, বিদ্যালয় থেকে প্রাইমারি শেষ করে সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সনে এস এস সি পাস করে সিলেট সরকারি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করি ১৯৯১সালে এবং ১৯৯৫ সালে ডিগ্রি পাস করি। পরবর্তী সময়ে উচ্চকাঙ্খিত অর্থের পাহাড় না গড়লেও এখন পর্যন্ত সুনামের সহিত ব্যাবসা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি সিলেটের মাটিতে সাংবাদিকতা ও লেখালেখির সাথে জড়িত। সাহিত্যের সুবাধে সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের আজিবন সদস্য (২০৮৩ নং) বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে কাজ করেছি। আমি ১৯৯৭ সাল আমার প্রথম সাংবাদিকতার যাত্রা ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক নিরপেক্ষ পত্রিকার সিলেট প্রতিনিধি এবং সাপ্তাহিক গোলাপের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, পরবর্তীতে নিজস্ব সাপ্তাহিক জনতার ডাক এর সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব ও দৈনিক সিলেট বাণী পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টারের কাজ করি। যা বর্তমানে মাই সিলেট টিভির এডমিন হিসাবে আছি। এবং ২০১৯ সালে সিলেট সদর উপজেলা প্রেসক্লাব এর প্রতিষ্টাতা সভাপতি, সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ সম্পাদক ও বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা শাহপরান থানার সভাপতি হিসাবে কাজ করে যাচ্ছি। ২০১৯/২০ সেশনের টুসকস এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করি যা এই ধরাতে মানবপ্রেম সমাজ হিতৈষী হওয়া বড় দুস্কর। কাজ করে মনে হয় কিছুই করতে পারিনি। সমাজ সেবায় কাজ করার সুবাধে অনেকগুলোর মধ্যে বৃক্ষরোপন, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান, বন্যার্থদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ, শীতার্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ, সাহিত্য কার্যক্রম সহ অনেকগুলো কাজ। তাইত বলি... " সাবান মাসের চাঁদের সনে/ বিশ্বের মুসলমান রহমতেরই পয়গাম নিয়ে / আসে যে রমজান।" টুলটিকর সমাজ কল্যাণ সমতি ও এলাকার মানুষের সহযোগিতায় এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণদের নিয়ে রমজান মাসে ইফতার মাহফিল সহ সামাজিক কাজে যুক্ত রাখা। "গরীব ধনী ছোট্ট বড় / সবাই করে আশা রোজা রেখে চায় সকলে / রবের ভালোবাসা।" রমজান শেষ হতে না হতে চলে আসে বাংলার জৈষ্ট মাস। সামাজিক কাজের ফাঁকে ফাঁকে বাংলার মৌসুমী ফলের মৌ মৌ গন্ধে পাখ -পাখালীর ডাকাডাকি। " জ্যৈষ্ঠ মাসে পাঁকে জানি / জামরুল এবং আম আরও পাঁকে কাঁঠাল এবং / কালো কালো জাম। " সর্বস্তরের মানুষদের নিয়ে মৌসুমী ফলের আপ্পায়নের ব্যবস্তা করি। এই মাসে বাংলার চিরাচরিত রূপ পাল্টাতে থেকে। এই দুনিয়ায় প্রতিটি মানুষের আচার আচরণ, তাঁর কাজকর্ম, চলন ফিরন, জ্ঞান বুদ্ধি ও কাজের সফলতাই বলে দেয় এই সমাজে কোন মানুষের দরকার। সমাজ সংস্কতিই বলে দেবে তাঁর প্রয়োজনীয়তা। হোক সেটা পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র কিংবা প্রতিষ্টান। নিজ কর্মক্ষেত্র বলে দেবে কখন কী করতে হবে। শীত আসলে অসহায় গরীব শীতার্থ মানুষের মাঝে শীত বস্র বিতরণ করার কথা। নিজের মনের মধ্যে অনেক আশা আকাঙ্খা ছিলো এই সমাজের জন্য অনেক কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার। কিন্তূ পরিস্তিতি বিবেচনায় অনেককিছু করতে পারিনি। ইচ্ছে ছিলো অনেক, অনেক দ্বাদ, মনের বাসনা, সমাজের উন্নয়নের জন্য নিজের ইচ্ছেগুলো উড়িয়ে দিতে নীল আকাশের নিচে, সবুজ শ্যামল রূপসী বাংলার মানুষের আশা আকাঙ্খা পূরণের জন্য। সমাজের প্রতিটি মানুষের মুখে হাঁসি ফুটিয়ে উন্নয়নের পতাকা উড়াতে। ইচ্ছে থাকা স্বত্ত্বেও অনেক কিছু সম্পন্ন করতে পারিনি। কিন্তূ কী হলো? আমি ও তো মাটির মানুষ, মা, মাটি ও সমাজকে ভালোবাসি। সারাজীবন ভালোবেসে যাবো। কারো কাছ থেকে কিছু পাওয়ার আশা করিনা, কিন্তূ অনেক কিছু দেওয়ার ইচ্ছা থাকে। জীবনে কোনো না কোনো ক্ষেত্রে সমাজের মানুষের কাজের সাথে মিলেমিশে আছি এবং থাকবো সারাজীবন। আমি মনে করি পরবর্তী জেনারেশন যেনো এই সমাজের কাজকর্ম পূর্ণ করে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে ই প্রত্যাশা রাখি। সর্বোপরি বলে যাই, "বিবেক ও মানুষ্যত্ত্ববোধ জাগ্রত হোক সকলের হৃদয়ে।"

সিলেট এডিশন

প্রকাশক ও সম্পাদক:
কামরুল হাসান জুলহাস

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
।। চিন্তা চেতনায় মানবপ্রেম।।
0:00 / 0:00
1x