শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাদকের স্বর্গরাজ্যে দক্ষিণ সুরমা সরকারি ঘরে ইয়াবা–গাঁজার আস্তানা, পুলিশের নীরবতায় প্রশ্নবিদ্ধ আইনশৃঙ্খলা


সিলেট এডিশন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫১ পিএম

মাদকের স্বর্গরাজ্যে দক্ষিণ সুরমা সরকারি ঘরে ইয়াবা–গাঁজার আস্তানা, পুলিশের নীরবতায় প্রশ্নবিদ্ধ আইনশৃঙ্খলা
নিজস্ব প্রতিবেদক, দক্ষিণ সুরমা (সিলেট):: দক্ষিণ সুরমা যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে মাদক ব্যবসার নিরাপদ স্বর্গরাজ্যে। সুইপার কলোনীর একটি সরকারি ঘরে গড়ে উঠেছে ইয়াবা, গাঁজা ও দেশীয় মদের রমরমা ব্যবসা। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ঘরে বসবাসকারী সুইপার নান্টু লাল ও তার সহযোগী রিপন প্রকাশ্যে এই অবৈধ মাদক বাণিজ্য পরিচালনা করছে। সরকারি এই ঘরটি এখন কার্যত একটি মাদক আস্তানায় রূপ নিয়েছে। দিনের আলো থেকে গভীর রাত—সব সময়ই সন্দেহজনক লোকজনের আনাগোনা, লেনদেন ও মাদক সেবনের দৃশ্য এলাকাবাসীর কাছে নিত্যদিনের চিত্র হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, নান্টু লাল–রিপনের মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মেতরপট্টি ও আশপাশের এলাকা কার্যত অপরাধপ্রবণ জোনে পরিণত হয়েছে। মাদক সহজলভ্য হওয়ায়—তরুণদের মধ্যে নেশাগ্রস্ততা ভয়াবহভাবে বেড়েছে, বাড়ছে চুরি, ছিনতাই ও ছোটখাটো সহিংসতা, ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ও রহস্যজনক ঘটনা, পরিবার ও সামাজিক বন্ধন ভেঙে পড়ছে। একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,“আগে এই এলাকায় সন্ধ্যার পরও মানুষ চলাচল করত। এখন মাদকসেবী আর অপরিচিত লোকের ভয়ে কেউ বের হতে চায় না।” মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী— ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্যের সংরক্ষণ, বিক্রয়, পরিবহন ও সরবরাহ শাস্তিযোগ্য অপরাধ, এসব অপরাধে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা হলে তা অতিরিক্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক মামলা, আস্তানা সিলগালা ও সরকারি ঘর বাতিলের আইনগত সুযোগ রয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক অভিযোগ উঠেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি একাধিকবার কদমতলী ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আমির হোসেনকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো দৃশ্যমান অভিযান বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একাধিক স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, “পুলিশ জানে তবুও কোনো অভিযান হয় না। আমরা শুনছি—বখরার কারণেই নীরবতা।” যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবুও পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর সন্দেহ ও ক্ষোভ তৈরি করেছে। এ বিষয়ে কদমতলী ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আমির হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাহার ববক্তব্য পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়ার পরও পুলিশের নীরবতা কি দায়িত্বহীনতা, নাকি এর পেছনে অন্য কিছু আছে? ধ্বংস হতে থাকা যুব সমাজের দায় কে নেবে? দক্ষিণ সুরমার সাধারণ মানুষ এখন প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করছেন। নতুবা এই নীরবতাই একদিন পুরো এলাকাকে গ্রাস করবে—মাদকের অন্ধকারে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

শাল্লার কান্দিগাঁও গ্রামের ঐতিহ্যবাহ নৌকা বাইচ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী

শাল্লার কান্দিগাঁও গ্রামের ঐতিহ্যবাহ নৌকা বাইচ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ

ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

২১৭ কোটি টাকার রেল প্রকল্পে ধীরগতি, মেয়াদ শেষেও বাকি ৭৫ শতাংশ কাজ

২১৭ কোটি টাকার রেল প্রকল্পে ধীরগতি, মেয়াদ শেষেও বাকি ৭৫ শতাংশ কাজ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবা চালু

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবা চালু

কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি' সিলেট বিভাগীয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ

কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি' সিলেট বিভাগীয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর, প্রস্তুতিমূলক সভায় মন্ত্রীর নির্দেশনা

১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর, প্রস্তুতিমূলক সভায় মন্ত্রীর নির্দেশনা

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ভ্যান সরানো নিয়ে কথা-কাটাকাটি, পরে যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ

ভ্যান সরানো নিয়ে কথা-কাটাকাটি, পরে যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ

খাদিমনগরে সরকারি খাস জমিতে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা স্থাপনের অভিযোগ

খাদিমনগরে সরকারি খাস জমিতে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা স্থাপনের অভিযোগ

খাদিমনগরে খাস জমি দখলের অভিযোগ, পাহাড় কেটে গড়ে উঠছে প্লট

খাদিমনগরে খাস জমি দখলের অভিযোগ, পাহাড় কেটে গড়ে উঠছে প্লট

সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ!

সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ!

সিলেট এডিশন

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাদকের স্বর্গরাজ্যে দক্ষিণ সুরমা সরকারি ঘরে ইয়াবা–গাঁজার আস্তানা, পুলিশের নীরবতায় প্রশ্নবিদ্ধ আইনশৃঙ্খলা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
নিজস্ব প্রতিবেদক, দক্ষিণ সুরমা (সিলেট):: দক্ষিণ সুরমা যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে মাদক ব্যবসার নিরাপদ স্বর্গরাজ্যে। সুইপার কলোনীর একটি সরকারি ঘরে গড়ে উঠেছে ইয়াবা, গাঁজা ও দেশীয় মদের রমরমা ব্যবসা। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ঘরে বসবাসকারী সুইপার নান্টু লাল ও তার সহযোগী রিপন প্রকাশ্যে এই অবৈধ মাদক বাণিজ্য পরিচালনা করছে। সরকারি এই ঘরটি এখন কার্যত একটি মাদক আস্তানায় রূপ নিয়েছে। দিনের আলো থেকে গভীর রাত—সব সময়ই সন্দেহজনক লোকজনের আনাগোনা, লেনদেন ও মাদক সেবনের দৃশ্য এলাকাবাসীর কাছে নিত্যদিনের চিত্র হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, নান্টু লাল–রিপনের মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মেতরপট্টি ও আশপাশের এলাকা কার্যত অপরাধপ্রবণ জোনে পরিণত হয়েছে। মাদক সহজলভ্য হওয়ায়—তরুণদের মধ্যে নেশাগ্রস্ততা ভয়াবহভাবে বেড়েছে, বাড়ছে চুরি, ছিনতাই ও ছোটখাটো সহিংসতা, ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ও রহস্যজনক ঘটনা, পরিবার ও সামাজিক বন্ধন ভেঙে পড়ছে। একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,“আগে এই এলাকায় সন্ধ্যার পরও মানুষ চলাচল করত। এখন মাদকসেবী আর অপরিচিত লোকের ভয়ে কেউ বের হতে চায় না।” মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী— ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্যের সংরক্ষণ, বিক্রয়, পরিবহন ও সরবরাহ শাস্তিযোগ্য অপরাধ, এসব অপরাধে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা হলে তা অতিরিক্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক মামলা, আস্তানা সিলগালা ও সরকারি ঘর বাতিলের আইনগত সুযোগ রয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক অভিযোগ উঠেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি একাধিকবার কদমতলী ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আমির হোসেনকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো দৃশ্যমান অভিযান বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একাধিক স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, “পুলিশ জানে তবুও কোনো অভিযান হয় না। আমরা শুনছি—বখরার কারণেই নীরবতা।” যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবুও পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর সন্দেহ ও ক্ষোভ তৈরি করেছে। এ বিষয়ে কদমতলী ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আমির হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাহার ববক্তব্য পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়ার পরও পুলিশের নীরবতা কি দায়িত্বহীনতা, নাকি এর পেছনে অন্য কিছু আছে? ধ্বংস হতে থাকা যুব সমাজের দায় কে নেবে? দক্ষিণ সুরমার সাধারণ মানুষ এখন প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করছেন। নতুবা এই নীরবতাই একদিন পুরো এলাকাকে গ্রাস করবে—মাদকের অন্ধকারে।

সিলেট এডিশন

প্রকাশক ও সম্পাদক:
কামরুল হাসান জুলহাস

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
মাদকের স্বর্গরাজ্যে দক্ষিণ সুরমা সরকারি ঘরে ইয়াবা–গাঁজার আস্তানা, পুলিশের নীরবতায় প্রশ্নবিদ্ধ আইনশৃঙ্খলা
0:00 / 0:00
1x