শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যৌতুকে—চাই মানসিকতায় বদল


সিলেট এডিশন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:১৪ পিএম

যৌতুকে—চাই মানসিকতায় বদল
ফারিহা জামান নাবিলা:: যৌতুক যেন অদৃশ্য আগুন, যা ধীরে ধীরে পরিবারের সুখ-শান্তি পোড়ায়, মেয়েদের স্বপ্ন ভস্ম করে দেয় আর সমাজকে অন্ধকার গহ্বরে ঠেলে দেয়। মেয়ের বিয়ের সময় যে হাসির উৎসব হওয়ার কথা, সেখানে যৌতুকের দাবি এক ভয়ংকর আতঙ্কে পরিণত হয়। এ শিকল মেয়েদের স্বপ্নকে আটকে দেয়, পিতামাতার কপালে আনে দুশ্চিন্তার ভাঁজ আর সমাজকে ঠেলে দেয় অমানবিকতার অন্ধকারে। বাংলাদেশের সমাজে যৌতুকপ্রথার শিকড় অনেক গভীরে। বিয়ে যেখানে আনন্দময় উৎসব হওয়ার কথা, সেখানে যৌতুকের কারণে তা হয়ে ওঠে বোঝা। গ্রামের গরিব কৃষক হোক বা শহরের মধ্যবিত্ত পরিবার সবাই মেয়ের বিয়ের সময় যৌতুকের চাপের মুখে পড়ে। আইন করে এ প্রথাকে নিষিদ্ধ করা হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। অনেক পরিবার মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়, জমিজমা বিক্রি করে দেয় বা গোপনে ধার করে অর্থ জোগায়। অন্যদিকে যারা দিতে পারে না, তাদের মেয়েরা স্বামীর পরিবারে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়। এর ফলে অনেক সময় ভেঙে যায় সংসার অথবা ঘটছে আত্মহত্যা কিংবা খুনের মতো মর্মান্তিক ঘটনা। দেশে যৌতুক-সংক্রান্ত নির্যাতনের অভিযোগ এসে থাকে প্রায় সময়ে। যৌতুক-সংক্রান্ত সহিংসতার প্রায় ৭০ শতাংশ ঘটনা গ্রামীণ অঞ্চলে ঘটে, যেখানে সচেতনতা ও শিক্ষার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। সমাজের মানুষের মানসিকতার সমস্যা বেশি। যৌতুকপ্রথা যেমন মৃত্যুর মতো ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে, তেমনি ব্যক্তিগত অবস্থান নিলে পরিবর্তনের সূচনা ঘটানোও সম্ভব। দেশে এখনো যৌতুকপ্রথা প্রচলনের অনেক কারণ রয়েছে। এখনো অনেকেই মনে করেন, মেয়েসন্তান পরিবারের জন্য বোঝা। তাই বিয়ের সময় তাকে বিক্রি করে দেওয়ার মতো আচরণ করা হয়। কে কত যৌতুক পেল, তা নিয়ে অনেক পরিবার অহংকার করে। ফলে অন্য পরিবারগুলোও প্রতিযোগিতায় নামতে বাধ্য হয়। অনেকেই মনে করেন, বিয়ে হলো সহজ উপায়ে সম্পদ সংগ্রহের মাধ্যম। গ্রামের অনেক মানুষ এখনো জানে না যে যৌতুক গ্রহণ একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন থাকলেও মামলা হয় কম, বিচার মেলে না, অপরাধীরা শাস্তি এড়িয়ে যায়। সমাজ থেকে যৌতুকপ্রথা দূর করতে আইনের পাশাপাশি মানসিকতারও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। যৌতুকের দাবিদারকে দ্রুত বিচার ও দৃশ্যমান শাস্তি দেওয়া হলে ভয় তৈরি হবে। মেয়েরা যখন শিক্ষিত ও কর্মসংস্থানে দক্ষ হবে, তখন তারা আর বোঝা হিসেবে গণ্য হবে না। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌতুকবিরোধী আলোচনার আয়োজন জরুরি। নাটক, সিনেমা, সংবাদ ও সামাজিক মাধ্যমে যৌতুকের কুফল স্পষ্টভাবে প্রচার করতে হবে। যারা যৌতুক নেয় বা দাবি করে, তাদের সঙ্গে আত্মীয়-পরিজন ও সমাজকেও সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। বিয়ে যেন লেনদেন না হয়ে সামাজিক বন্ধনের ব্যাপার হয়, এ বিষয়ে মসজিদের ইমাম, শিক্ষক ও সামাজিকভাবে অগ্রগামীদের ভূমিকা রাখতে হবে। যৌতুক প্রথা শুধু আইনের জোরে থামানো যাবে না। মানুষের মানসিকতা না বদলালে এ প্রথা সমাজে নতুন নতুন রূপে ফিরে আসবে। বিয়ে মানে হওয়া উচিত দুটি পরিবারের মধ্যে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের সম্পর্ক কোনো আর্থিক লেনদেন নয়। আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ পরিবার থেকে শুরু করা, যে বিয়ে হবে সেখানে যৌতুকের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া। সমাজ একসঙ্গে দাঁড়ালে এবং মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে পারলে তবেই এ অমানবিক প্রথা একদিন চিরতরে ইতিহাস হয়ে যাবে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

শাল্লার কান্দিগাঁও গ্রামের ঐতিহ্যবাহ নৌকা বাইচ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী

শাল্লার কান্দিগাঁও গ্রামের ঐতিহ্যবাহ নৌকা বাইচ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ

ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

২১৭ কোটি টাকার রেল প্রকল্পে ধীরগতি, মেয়াদ শেষেও বাকি ৭৫ শতাংশ কাজ

২১৭ কোটি টাকার রেল প্রকল্পে ধীরগতি, মেয়াদ শেষেও বাকি ৭৫ শতাংশ কাজ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবা চালু

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবা চালু

কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি' সিলেট বিভাগীয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ

কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি' সিলেট বিভাগীয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর, প্রস্তুতিমূলক সভায় মন্ত্রীর নির্দেশনা

১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর, প্রস্তুতিমূলক সভায় মন্ত্রীর নির্দেশনা

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ভ্যান সরানো নিয়ে কথা-কাটাকাটি, পরে যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ

ভ্যান সরানো নিয়ে কথা-কাটাকাটি, পরে যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ

খাদিমনগরে সরকারি খাস জমিতে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা স্থাপনের অভিযোগ

খাদিমনগরে সরকারি খাস জমিতে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা স্থাপনের অভিযোগ

খাদিমনগরে খাস জমি দখলের অভিযোগ, পাহাড় কেটে গড়ে উঠছে প্লট

খাদিমনগরে খাস জমি দখলের অভিযোগ, পাহাড় কেটে গড়ে উঠছে প্লট

সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ!

সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ!

সিলেট এডিশন

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


যৌতুকে—চাই মানসিকতায় বদল

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
ফারিহা জামান নাবিলা:: যৌতুক যেন অদৃশ্য আগুন, যা ধীরে ধীরে পরিবারের সুখ-শান্তি পোড়ায়, মেয়েদের স্বপ্ন ভস্ম করে দেয় আর সমাজকে অন্ধকার গহ্বরে ঠেলে দেয়। মেয়ের বিয়ের সময় যে হাসির উৎসব হওয়ার কথা, সেখানে যৌতুকের দাবি এক ভয়ংকর আতঙ্কে পরিণত হয়। এ শিকল মেয়েদের স্বপ্নকে আটকে দেয়, পিতামাতার কপালে আনে দুশ্চিন্তার ভাঁজ আর সমাজকে ঠেলে দেয় অমানবিকতার অন্ধকারে। বাংলাদেশের সমাজে যৌতুকপ্রথার শিকড় অনেক গভীরে। বিয়ে যেখানে আনন্দময় উৎসব হওয়ার কথা, সেখানে যৌতুকের কারণে তা হয়ে ওঠে বোঝা। গ্রামের গরিব কৃষক হোক বা শহরের মধ্যবিত্ত পরিবার সবাই মেয়ের বিয়ের সময় যৌতুকের চাপের মুখে পড়ে। আইন করে এ প্রথাকে নিষিদ্ধ করা হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। অনেক পরিবার মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়, জমিজমা বিক্রি করে দেয় বা গোপনে ধার করে অর্থ জোগায়। অন্যদিকে যারা দিতে পারে না, তাদের মেয়েরা স্বামীর পরিবারে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়। এর ফলে অনেক সময় ভেঙে যায় সংসার অথবা ঘটছে আত্মহত্যা কিংবা খুনের মতো মর্মান্তিক ঘটনা। দেশে যৌতুক-সংক্রান্ত নির্যাতনের অভিযোগ এসে থাকে প্রায় সময়ে। যৌতুক-সংক্রান্ত সহিংসতার প্রায় ৭০ শতাংশ ঘটনা গ্রামীণ অঞ্চলে ঘটে, যেখানে সচেতনতা ও শিক্ষার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। সমাজের মানুষের মানসিকতার সমস্যা বেশি। যৌতুকপ্রথা যেমন মৃত্যুর মতো ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে, তেমনি ব্যক্তিগত অবস্থান নিলে পরিবর্তনের সূচনা ঘটানোও সম্ভব। দেশে এখনো যৌতুকপ্রথা প্রচলনের অনেক কারণ রয়েছে। এখনো অনেকেই মনে করেন, মেয়েসন্তান পরিবারের জন্য বোঝা। তাই বিয়ের সময় তাকে বিক্রি করে দেওয়ার মতো আচরণ করা হয়। কে কত যৌতুক পেল, তা নিয়ে অনেক পরিবার অহংকার করে। ফলে অন্য পরিবারগুলোও প্রতিযোগিতায় নামতে বাধ্য হয়। অনেকেই মনে করেন, বিয়ে হলো সহজ উপায়ে সম্পদ সংগ্রহের মাধ্যম। গ্রামের অনেক মানুষ এখনো জানে না যে যৌতুক গ্রহণ একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন থাকলেও মামলা হয় কম, বিচার মেলে না, অপরাধীরা শাস্তি এড়িয়ে যায়। সমাজ থেকে যৌতুকপ্রথা দূর করতে আইনের পাশাপাশি মানসিকতারও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। যৌতুকের দাবিদারকে দ্রুত বিচার ও দৃশ্যমান শাস্তি দেওয়া হলে ভয় তৈরি হবে। মেয়েরা যখন শিক্ষিত ও কর্মসংস্থানে দক্ষ হবে, তখন তারা আর বোঝা হিসেবে গণ্য হবে না। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌতুকবিরোধী আলোচনার আয়োজন জরুরি। নাটক, সিনেমা, সংবাদ ও সামাজিক মাধ্যমে যৌতুকের কুফল স্পষ্টভাবে প্রচার করতে হবে। যারা যৌতুক নেয় বা দাবি করে, তাদের সঙ্গে আত্মীয়-পরিজন ও সমাজকেও সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। বিয়ে যেন লেনদেন না হয়ে সামাজিক বন্ধনের ব্যাপার হয়, এ বিষয়ে মসজিদের ইমাম, শিক্ষক ও সামাজিকভাবে অগ্রগামীদের ভূমিকা রাখতে হবে। যৌতুক প্রথা শুধু আইনের জোরে থামানো যাবে না। মানুষের মানসিকতা না বদলালে এ প্রথা সমাজে নতুন নতুন রূপে ফিরে আসবে। বিয়ে মানে হওয়া উচিত দুটি পরিবারের মধ্যে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের সম্পর্ক কোনো আর্থিক লেনদেন নয়। আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ পরিবার থেকে শুরু করা, যে বিয়ে হবে সেখানে যৌতুকের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া। সমাজ একসঙ্গে দাঁড়ালে এবং মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে পারলে তবেই এ অমানবিক প্রথা একদিন চিরতরে ইতিহাস হয়ে যাবে।

সিলেট এডিশন

প্রকাশক ও সম্পাদক:
কামরুল হাসান জুলহাস

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
যৌতুকে—চাই মানসিকতায় বদল
0:00 / 0:00
1x