শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্রের আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের বিচারের দাবিতে আইজিপি ও পুলিশ সুপার বরাবরে বাদীর আবেদন


সিলেট এডিশন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১২ পিএম

আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্রের আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের বিচারের দাবিতে আইজিপি ও পুলিশ সুপার বরাবরে বাদীর আবেদন
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আন্তর্জাতিক মানব পাচার মামলার আসামীদের অবিলম্বে গ্রেফতার, রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শক আইজিপি এবং সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার বরাবরে এক লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন মামলার বাদী। আবেদনপত্র ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের মোজাহিদপুর গ্রামের তাজিল মিয়ার ছেলে নুরুজ্জামান বিগত ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে সুনামগঞ্জ মানব পাচার ট্রাইব্যুনাল আদালতে পিটিশন মামলা নম্বর ১৪/২০২৬ দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টিকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ১৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর ৬ ও ৭ ধারায় জগন্নাথপুর থানায় মামলা নম্বর ১২ এবং জিআর নম্বর ১১৮ হিসেবে বিষয়টি নিবন্ধিত হয়। আবেদনকারী নুরুজ্জামান অভিযোগে উল্লেখ করেন, মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য হওয়ার পর থেকেই জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নূর হোসেন আসামীদের সাথে গোপন যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। ঘটনার বিবরণীতে প্রকাশ, মামলার ১ নম্বর আসামী সিলেটের জালালাবাদ থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার পাড়ার বাসিন্দা মৃত কলমদর আলীর ছেলে শিপন আহমদ এবং ৪ নম্বর আসামী সুনামগঞ্জের দিরাই থানার উত্তর সুরিয়ারপাড়ের বাসিন্দা আমিরুল ইসলামের ছেলে ফজলুর রহমানসহ পুরো চক্রটি আন্তর্জাতিক মাফিয়া ও চোরাচালান দলের সাথে সরাসরি যুক্ত। তারা সিলেট, ঢাকা, সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুরের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষকে লিবিয়া হয়ে ইতালি পাঠানোর নামে প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ১ নম্বর আসামী একাধিক সিম ব্যবহার করে বহু মানুষের সাথে প্রতারণা চালিয়ে আসছে। সে দুবাই থাকা অবস্থায় বাদীর বিরুদ্ধে সিলেটে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল, যেখানে কোনো লিখিত প্রমাণ ছিল না। মামলা রুজুর পর থেকে আসামীরা বাদী ও তার পরিবারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। মামলা না তুললে বাদী ও তার স্বজনদের সুযোগ বুঝে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি আসামী শিপন আহমদ ও ফজলুর রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আক্রোশমূলক পোস্ট দিয়ে বাদীকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখাচ্ছে। আবেদনপত্রে পুলিশের নিস্ক্রিয়তার পেছনে প্রভাব বিস্তারের কথা উল্লেখ করে বাদী জানান, ১ নম্বর আসামী শিপন আহমদের ছোট ভাই শিপু দীর্ঘদিন জগন্নাথপুর থানায় মুন্সী হিসেবে কর্মরত ছিল। সেই সূত্রে সে পুলিশ কর্মকর্তা ও উর্ধ্বতন মহলে প্রভাব বিস্তার করে পুলিশকে ম্যানেজ করে রেখেছে। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের সাথেও তদন্তকারী কর্মকর্তার ফোনালাপের রেকর্ড বাদীর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। পূর্বে ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে বাদী মামলাটি গোয়েন্দা শাখা ডিবিতে হস্তান্তরের আবেদন জানালে ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে জগন্নাথপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এক প্রতিবেদনে থানার ওসি ও এসআইকে নির্দোষ দাবি করেন, যা সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ ও বাস্তবতার বিপরীত বলে বাদী মনে করেন। বর্তমানে ১ নম্বর আসামী শিপন আহমদ সিলেটে এবং ৪ নম্বর আসামী ফজলুর রহমান দিরাই, জগন্নাথপুর ও সুনামগঞ্জ সদরে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে তাদের গ্রেফতার করছে না। ফলে এলাকায় আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি ও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী আবেদনকারী নুরুজ্জামান অবিলম্বে সকল আসামীকে গ্রেফতার, রিমান্ডে এনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য আইজিপি ও সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে ফেসবুকে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সিলেট সাইবার আদালতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা আবেদনে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, আসামীদেরকে গ্রেফতারের জন্য জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। তাদেরকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

শাল্লার কান্দিগাঁও গ্রামের ঐতিহ্যবাহ নৌকা বাইচ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী

শাল্লার কান্দিগাঁও গ্রামের ঐতিহ্যবাহ নৌকা বাইচ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ

ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

২১৭ কোটি টাকার রেল প্রকল্পে ধীরগতি, মেয়াদ শেষেও বাকি ৭৫ শতাংশ কাজ

২১৭ কোটি টাকার রেল প্রকল্পে ধীরগতি, মেয়াদ শেষেও বাকি ৭৫ শতাংশ কাজ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবা চালু

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবা চালু

কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি' সিলেট বিভাগীয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ

কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি' সিলেট বিভাগীয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নগরীতে বাস্তবায়ন হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

মহানগরীর মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর, প্রস্তুতিমূলক সভায় মন্ত্রীর নির্দেশনা

১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর, প্রস্তুতিমূলক সভায় মন্ত্রীর নির্দেশনা

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুই সেনাসদস্য নিহত

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

তালাশ টেলিভিশনে নারীকে শিকল পড়িয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর তোলপাড়: কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ইসিএ এলাকায় তাণ্ডবের বিরুদ্ধে অভিযান, ধ্বংস ১০ ড্রেজার ও ৬ এক্সকেভেটর

ভ্যান সরানো নিয়ে কথা-কাটাকাটি, পরে যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ

ভ্যান সরানো নিয়ে কথা-কাটাকাটি, পরে যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ

খাদিমনগরে সরকারি খাস জমিতে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা স্থাপনের অভিযোগ

খাদিমনগরে সরকারি খাস জমিতে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা স্থাপনের অভিযোগ

খাদিমনগরে খাস জমি দখলের অভিযোগ, পাহাড় কেটে গড়ে উঠছে প্লট

খাদিমনগরে খাস জমি দখলের অভিযোগ, পাহাড় কেটে গড়ে উঠছে প্লট

সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ!

সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ!

সিলেট এডিশন

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্রের আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের বিচারের দাবিতে আইজিপি ও পুলিশ সুপার বরাবরে বাদীর আবেদন

প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আন্তর্জাতিক মানব পাচার মামলার আসামীদের অবিলম্বে গ্রেফতার, রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শক আইজিপি এবং সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার বরাবরে এক লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন মামলার বাদী। আবেদনপত্র ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের মোজাহিদপুর গ্রামের তাজিল মিয়ার ছেলে নুরুজ্জামান বিগত ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে সুনামগঞ্জ মানব পাচার ট্রাইব্যুনাল আদালতে পিটিশন মামলা নম্বর ১৪/২০২৬ দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টিকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ১৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর ৬ ও ৭ ধারায় জগন্নাথপুর থানায় মামলা নম্বর ১২ এবং জিআর নম্বর ১১৮ হিসেবে বিষয়টি নিবন্ধিত হয়। আবেদনকারী নুরুজ্জামান অভিযোগে উল্লেখ করেন, মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য হওয়ার পর থেকেই জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নূর হোসেন আসামীদের সাথে গোপন যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। ঘটনার বিবরণীতে প্রকাশ, মামলার ১ নম্বর আসামী সিলেটের জালালাবাদ থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার পাড়ার বাসিন্দা মৃত কলমদর আলীর ছেলে শিপন আহমদ এবং ৪ নম্বর আসামী সুনামগঞ্জের দিরাই থানার উত্তর সুরিয়ারপাড়ের বাসিন্দা আমিরুল ইসলামের ছেলে ফজলুর রহমানসহ পুরো চক্রটি আন্তর্জাতিক মাফিয়া ও চোরাচালান দলের সাথে সরাসরি যুক্ত। তারা সিলেট, ঢাকা, সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুরের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষকে লিবিয়া হয়ে ইতালি পাঠানোর নামে প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ১ নম্বর আসামী একাধিক সিম ব্যবহার করে বহু মানুষের সাথে প্রতারণা চালিয়ে আসছে। সে দুবাই থাকা অবস্থায় বাদীর বিরুদ্ধে সিলেটে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল, যেখানে কোনো লিখিত প্রমাণ ছিল না। মামলা রুজুর পর থেকে আসামীরা বাদী ও তার পরিবারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। মামলা না তুললে বাদী ও তার স্বজনদের সুযোগ বুঝে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি আসামী শিপন আহমদ ও ফজলুর রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আক্রোশমূলক পোস্ট দিয়ে বাদীকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখাচ্ছে। আবেদনপত্রে পুলিশের নিস্ক্রিয়তার পেছনে প্রভাব বিস্তারের কথা উল্লেখ করে বাদী জানান, ১ নম্বর আসামী শিপন আহমদের ছোট ভাই শিপু দীর্ঘদিন জগন্নাথপুর থানায় মুন্সী হিসেবে কর্মরত ছিল। সেই সূত্রে সে পুলিশ কর্মকর্তা ও উর্ধ্বতন মহলে প্রভাব বিস্তার করে পুলিশকে ম্যানেজ করে রেখেছে। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের সাথেও তদন্তকারী কর্মকর্তার ফোনালাপের রেকর্ড বাদীর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। পূর্বে ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে বাদী মামলাটি গোয়েন্দা শাখা ডিবিতে হস্তান্তরের আবেদন জানালে ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে জগন্নাথপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এক প্রতিবেদনে থানার ওসি ও এসআইকে নির্দোষ দাবি করেন, যা সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ ও বাস্তবতার বিপরীত বলে বাদী মনে করেন। বর্তমানে ১ নম্বর আসামী শিপন আহমদ সিলেটে এবং ৪ নম্বর আসামী ফজলুর রহমান দিরাই, জগন্নাথপুর ও সুনামগঞ্জ সদরে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে তাদের গ্রেফতার করছে না। ফলে এলাকায় আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি ও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী আবেদনকারী নুরুজ্জামান অবিলম্বে সকল আসামীকে গ্রেফতার, রিমান্ডে এনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য আইজিপি ও সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে ফেসবুকে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সিলেট সাইবার আদালতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা আবেদনে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, আসামীদেরকে গ্রেফতারের জন্য জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। তাদেরকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিলেট এডিশন

প্রকাশক ও সম্পাদক:
কামরুল হাসান জুলহাস

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্রের আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের বিচারের দাবিতে আইজিপি ও পুলিশ সুপার বরাবরে বাদীর আবেদন
0:00 / 0:00
1x