প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে মিথ্যা মামলায় সিনিয়র সাংবাদিককে জড়িয়ে হয়রানি অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
সিলেট এডিশন ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে সিনিয়র সাংবাদিক ও সংগঠক সুলতান মাহমুদকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগে জানা যায়, গত ৫ মে ২০২৬ তারিখে সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে চাষাড়া বাগে জান্নাত মসজিদের সামনে বাদী আলমগীরকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের চেষ্টা চালায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি মান্নান ভুইয়া। পরে ভুক্তভোগী আলমগীর সকাল ১১টায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগের পর তদন্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই মনসুর বিষয়টি যাচাই করে ঘটনার সত্যতা পেলেও মামলা গ্রহণে গড়িমসি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে, মামলার অগ্রগতির সময় তিনি ভুক্তভোগীর কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়েও বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখেন। এ সময় বিষয়টি সমাধানের জন্য সিনিয়র সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ থানার ওসি ও ওসি (তদন্ত)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করলে মামলাটি গ্রহণে টালবাহানা করা হয় এবং এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মামলা নেওয়ার কথা বলা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হলে নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদীর হস্তক্ষেপে প্রকৃত ঘটনার মামলা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও এসআই মনসুর আর্থিক সুবিধা নিয়ে ভিন্নমুখী একটি পাল্টা অভিযোগ আগে রুজু করেন এবং মূল ঘটনার মামলা পরে গ্রহণ করেন। এতে করে প্রকৃত ভুক্তভোগীর মামলাকে আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
আরও অভিযোগে বলা হয়, ওই মামলায় কোনো প্রমাণ ছাড়াই সাংবাদিক সুলতান মাহমুদকে আসামি করা হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। বিষয়টি নিয়ে এসআই মনসুরকে ফোন করলে তিনি সাংবাদিককে গ্রেফতারের হুমকি ও অশালীন ভাষায় কথা বলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে, যার প্রমাণ সংরক্ষিত আছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দাবি জানিয়েছেন, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
এস আই মনসুর টাকার বিনিময়ে ভুক্তভোগী আলমগীরের মামলে পড়ে ও ধর্ষক মান্নণ ভুইয়ার মামলা আগে নিয়েছে। ভুক্তভোগী আলমগীর জানান, এস আই মনসুর তার কাছ থেকে টাকা নিয়ে আপর পক্ষ থেকে বেশি টাকা ঘুষ নিয়ে তাদের মামলা আগে ও আমার মামলা পরে রুজু করে, তদন্ত ছাড়াই সাংবাদিক ও সংগঠকদের নামে মিথ্যা মামলা রুজু করে। এস আই মনসুর সিনিয়র সাংবাদিক সুলতান মাহমুদের সাথে অশুভাচরন ও মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের হুমকি প্রদান করে।
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।