প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
কোম্পানীগঞ্জে ১১টি মামলায় হয়রানির অভিযোগ
সিলেট এডিশন ডেস্ক
স্টাফ রিপোর্টার :: শনিবার (২৩ মে) একাধিক মিথ্যা মামলায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন। ঘটনার সুত্রে জানাযায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের বাঘারপার গ্রামের মৃত ইছকন্দর আলীর চার ছেলে কৃষক আব্দুল খালিক,আব্দুর রহিম, আব্দুল কাবির,আব্দুর রহমান ৪ ভাই সবাই ২০ বছর ধরে মিথ্যা মামলার আসামি হয়ে নিঃস্ব জীবন যাপন করছেন। কৃষক আব্দুল খালিক জানান আমার চাচা মৃত সুরুজ আলীর মেয়ে রাজিয়া বেগম,তার মা শুকুরবি, একই গ্রামের মৃত হবিব উল্লাহর ছেলে খালিকের প্ররোচনায় আমাদেরকে ১১টি মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। অথচ আমাদের মা মৃত ময়মুনা বিবির জমি থেকে আমাদেরকে তাড়িয়ে দিতে দীর্ঘদিন থেকে নানারকম ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন রাজিয়া বেগম। আমাদেরকে হয়রানি করতে ১১টি মামলা দিয়েছে ভুক্তভোগী কৃষক আব্দুল খালিক জানান এখনো তিনটি মিথ্যা মামলা চলমান আছে। মামলাগুলো ম্যাজিস্টেট কোর্টে নিষ্পত্তি হলেও তারা ক্ষান্ত হয়নি। তারা একের পর এক মামলা দিয়েই যাচ্ছে।এবিষয়ে পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও এলাকার সামাজিক বিচারে ও তারা সন্তুষ্ট নয়। সমাহারে সম্পত্তির মালিক বাটোয়ারা করলেই প্রকৃত বিষয়টি সম্পর্কে কোন জটিলতা হতো না। এবিষয়ে সমাজের নেতৃ স্হানীয় কেউ এগিয়ে আসেনা আরও ঘটনার ইন্ধন দিয়ে আমরা চার ভাইকে নিঃস্ব করতে একটি মহল তৎপর রয়েছে। রাজিয়া বেগম, ও তার পরিবারে লোকজন। এনিয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। আমরা মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে মুক্তি চাই।বাঘারপার গ্রামের আজবর আলীর যোগসাজশে মামলার আরেক আসামি আব্দুল খালিকের ভাতিজা ফয়জুল (বুশ) আলী হোসেন,আমাদের ৫টি গরু আটক করে নিয়ে যায় পরে স্হানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াদ আলী ও ইউপি সদস্য কবির আহমদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে ২টি গরু ফেরত পেলেও বাকি গরুগুলো আজোও ফেরত পাইনি। রাজিয়া বেগম ভিত্তিহীন তথ্যে উদ্দেশ্যমূলক মামলা দায়ের করে তাদের সম্পত্তি বিক্রি করে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে লোক দেখানোর জন্য প্রতিপক্ষের আব্দুল খালিক কে ও একটি মামলায় আসামি করে। কৃষক আব্দুল খালিক বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে প্রতিবেশী রাজিয়া বেগম আমাদেরকে গালিগালাজ ও উত্ত্যক্ত করছেন। আমরা জায়গা কিনে মালিক এটাই আমাদের অপরাধ। আমরা এর সুরাহা চাই। কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার (ওসি) তদন্ত সুজন কর্মকার জানান,আদালতে কৃষক আব্দুল খালিক ও রাজিয়া বেগমের মামলা চলমান রয়েছে আদালত এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।