প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
উপবৃত্তির প্রলোভনে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা, শিক্ষককে গণধোলাই
সিলেট এডিশন ডেস্ক
জগন্নাথপুর পৌর শহরের ইসহাকপুর আল জান্নাত ইসলামিক এডুকেশন ইনস্টিটিউট কামিল মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ওই প্রতিষ্ঠানের আরবি প্রভাষক সামসুল হুদার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সামসুল হুদা কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার বড়বাম গ্রামের মাওলানা আলী নওয়াবের ছেলে। গত শনিবার (২ মে) মাদ্রাসা বন্ধ থাকা সত্ত্বেও উপবৃত্তির ফরম পূরণের কথা বলে আলিম প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে ডেকে আনেন । শিক্ষক মিলনায়তনে লোকজন না থাকার সুযোগে তিনি ওই ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। ভুক্তভোগী ছাত্রীটি কোনোমতে সেখান থেকে পালিয়ে বাড়ি গিয়ে স্বজনদের বিষয়টি জানালে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে সন্ধ্যার দিকে উত্তেজিত এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে গণধোলাই দেয়। বর্তমানে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এলাকাবাসী সূত্র জানায় সামসুল হুদার বিরুদ্ধে এর আগেও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে ২০১৫ সালে মুঠোফোনে আপত্তিকর কর্মকাণ্ডের দায়ে থানায় অভিযোগ হলে তিনি সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন। তবে ২০১৮ সালে গভর্নিং বডির হস্তক্ষেপে তিনি পুনরায় নিয়োগ পান।
আল জান্নাত ইসলামি ইনস্টিটিউটের সুপার মাওলানা মোঃ শহিদুল ইসলাম নিজামী জানান, ঘটনার সময় তারা কেউ মাদ্রাসায় উপস্থিত ছিলেন না। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়ে আমি তাৎক্ষণিকভাবে কমিটির লোকজন নিয়ে বৈঠকে বসি। এসময় শিক্ষক তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেন। হঠাৎ করে ওই শিক্ষার্থীর আত্মীয় স্বজনরা এসে হামলা চালিয়ে শিক্ষক কে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার অরুপ কুমার রায় বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। ইতোমধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং মাদ্রাসার সংশ্লিষ্টদের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।