প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
বর্ষায় কাদা শুকনোয় ধুলা দুর্ভোগ তিন গ্রামের মানুষ
সিলেট এডিশন ডেস্ক
#
প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি বেহাল
#
দুর্ভোগ পোহাচ্ছে তিন গ্রামের মানুষ
#
সড়কটি দ্রুত পাকা করার দাবি
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার):: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রামচন্দ্রপুর-ধলাই সেতু কাঁচা সড়কটি বর্ষায় কাদা, শুকনোয় ধুলা—এই নিয়ে চলা,দীর্ঘদিন ধরে বেহাল।
বর্ষা মৌসুমে প্রায় হাঁটু সমান কাদা। সেই কাদা ভেঙে যাওয়া-আসা করতে হয় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। কৃষকদের ক্ষেতের পণ্য তুলতে হয় বাজারে। গ্রামের কেউ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে দুর্ভাগ চরমে পৌঁছায়।
একই সমস্যা হয় শুকনো মৌসুমে। তখন কাদার জায়গায় হয় ধুলা।
গ্রামবাসীর এই দুর্ভোগ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের একটি সড়ক নিয়ে। সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও পাকা করার দাবি তিন গ্রামের বাসিন্দাদের।
স্থানীয়রা জানান, রহিমপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ধলাই সেতু পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি বেহাল। সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের জন্য ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তারা জানা, বর্ষা মৌসুমে কাদা আর শুকনো মৌসুমে ধুলোবালিতে সড়কটি একাকার হয়ে যায়। তখন সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে গ্রামবাসীকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।
স্থানীয়রা আরো জানান, রামচন্দ্রপুর-ধলাই সেতু সড়কটি এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম। সড়কটি পাকা না হওয়ায় স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ রোগীদের যাতায়াতে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কাঁচা মাটির এই সড়ক দিয়ে কোনো যানবাহন এমনকি অটোরিকশাও চলাচল করতে পারে না।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বাছিত খান বলেন, বছরের পর বছর সড়কটি কাঁচা থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই খারাপ অবস্থায় পৌঁছায়। তখন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করা যায় না। আমরা সড়কটি দ্রুত পাকা করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
রহিমপুর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুতাংশু কর্মকার বলেন, এ কাঁচা রাস্তাটি বর্ষায় কাদামাটিতে একাকার হয়ে পড়ে। তখন গ্রামের মানুষের চলাচল করতে কষ্ট হয়। আমরা পরিষদ থেকে কিছু মাটি দিয়ে সংস্কার করলেও তা যথেষ্ঠ নয়।
এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল আজম বলেন, ‘সড়কটির বিষয়ে জানতে পেরেছি। চেষ্টা করব দ্রুত সমাধানের।’
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।