প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
কোম্পানীগঞ্জে বসতভিটা জবরদখলের অভিযোগ
সিলেট এডিশন ডেস্ক
নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে চাচার জায়গা সম্পদ আত্মসাৎ ভাতিজাদের জোরপূর্বক বসতভিটা দখল ফসলি জমি চাষ বিক্রি ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ ওঠেছে উপজেলার বাঘারপাড় গ্রামে। তথ্যানুসন্ধানে সরেজমিনে গেলে স্হানীয়রা জানান মৃত মোহাম্মদ আলীর দুই ছেলে এছকান্দর আলী ও সূরুজ আলী তারা আপন সহোদর ভাই। পিতা মোহাম্মদ আলীর রেখে যাওয়া ৬ একর ৩৮ শতক সম্পত্তিতে তারা সমানভাবে জায়গা সম্পত্তির মালিক। কিন্তু বড় ভাই এছকান্দর আলী চালাকচতুর হওয়ায় পৈত্রিক সম্পদ থেকে ছোট ভাই সুরুজ আলীকে বঞ্চিত করেন। এছকান্দর আলীর চার ছেলে আব্দুল খালিক (৫৫) আব্দুর রহিম(৫২) আব্দুর রহমান (৫১) আব্দুল কাবির (৫০) গং চাচা সুরুজ আলীর বসতভিটা ও সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ তুলেন চাচী শুকুর বি বেগম (৬৫) তিনি জানান আমার স্বামী সুরুজ আলী ছিলেন সরল স্বভাবের, জীবদ্দশায় চালাক চতুর ছিলেন না।
তিনি শেষ সময়ে ভিক্ষা করেও জীবন কাটিয়েছেন আমি কষ্ট করে ভোলাগঞ্জ পাথরকোয়ারীতে পাথরের কাজ করে আমার তিন মেয়ে রাজিয়া বেগম (৩৬) সুজিয়া বেগম(৩২)রোকেয়া বেগম (৩০)কে নিয়ে জীবন যাপন করেছি। আমার কোন ছেলে সন্তান না থাকার কারনে আমি বর্তমানে পাড়ুয়া গ্রামে বোনের বাড়িতে আছি বড় মেয়ে রাজিয়া মামার বাড়িতে টিনের ঝুপড়ি ভাঙা ঘরে জীবন যাপন করে থাকে আমার স্বামীর সম্পদ থাকার পরেও আমরা অসহায় আমি অসুস্থতার কারণে কোন কাজ করতে পারিনা আমার ভাসুর ছেলে আব্দুল খালিক গং আমাদের বিরুদ্ধে জাল দলিল করে ৩টি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে রীতিমতো ভিক্ষা করে মামলার টাকা যোগাড় করে সিলেট কোর্ট আদালতে যেতে হচ্ছে। বলে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন বয়োবৃদ্ধ শুকুর বি বেগম। বড় মেয়ে রাজিয়া বেগম, জানান আমার পিতা সুরুজ আলীর সম্পদ থাকার পরেও রোগে সুখে ভোগে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন যাপন করে গেছেন।
আমাদের থাকার কোন জায়গা নেই আমি আমার মামার বাড়িতে একটি ভাঙ্গা ঘরে বসবাস করছি।কোন ন্যায় বিচার পাচ্ছি না আমরা অসহায় গরিব বলে-বিচার সালিশীরা টাকা-পয়সা চায় আমাদের তো এই সামর্থ্য নাই। চাচাতো ভাই আব্দুল খালিক গং আমাদের কোন আপন ভাই না থাকার কারণে আমার মাকেও শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করে যাচ্ছেন আমার বৃদ্ধ মা কোন কাজকর্ম করতে পারছেন না ভিক্ষা করে মামলার হাজিরা টাকা যোগাড় করতে হচ্ছে। আমার মা বয়োবৃদ্ধা শুকুর বি বেগম, ও তিন বোন আমরা বর্তমানে অসহায় পরিবার হিসেবে মিথ্যা মামলা ও আমাদের পৈত্রিক সম্পদ উদ্ধারে সরকারের তদন্ত সংস্থা ডিজিএফআই এনএসআই ডিবি র্যাব ও পুলিশ আইনশৃঙ্খলা কাজে নিয়োজিত বাহিনী দিয়ে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে আমাদের বাঁচান বলে আকুতি করেন।
এবিষয়ে বাঘারপাড় গ্রামের মুরব্বী, উপজেলা বিএনপি নেতা (সাবেক মেম্বার) আব্দুল মতিন,বলেন ঘটনা সত্য অসহায় শুকুর বি ও তার তিন মেয়ে জায়গা সম্পদের মালিক তারা কিছু সম্পত্তি পাবে এনিয়ে মামলা চলছে। এবিষয়ে যোগাযোগ করা হয় পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কবির আহমেদ এর সাথে তিনি জানান, মৃত এছকান্দর আলী ও সুরুজ আলী আপন দুই ভাই ছিলেন পিতার সম্পত্তির সমহারে মালিক, এনিয়ে আমরা সামাজিক বিচারে বসেছি কোন সমাধানে পৌঁছাতে পারিনি।
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।