প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ
সিলেট এডিশন ডেস্ক
ইমাম হোসেন,ধর্মপাশা প্রতিনিধি:: হাওর রক্ষা বাঁধে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন ধর্মপাশা উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় ধর্মপাশা উপজেলার রাস্তার সামনে এ গণ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের ধর্মপাশা উপজেলার আহ্বায়ক শাহ্ কুতুব'র সভাপতিত্বে ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল হক মিলনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ধর্মপাশা উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব শাকিন শাহ্।
বক্তব্য রাখেন সাতারিয়া পাতারিয়া হাওরের কৃষক মুজিবুর রহমান, টগার হাওরের কৃষক ধন মিয়া, সইলচাপা হাওরের কৃষক উজ্জ্বল মিয়া, বাঘরার হাওরের কৃষক মোঃ আল আমিন, চিসরার হাওরের কৃষক ধন মিয়া, টঙ্গী বাঁধ এলাকার আনোয়ার হোসেন।
অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জেলা কমিটির সভাপতি মো. রাজু আহমেদ, সহ সভাপতি ওবায়দুল মুন্সী।
আরো বক্তব্য রাখেন মধ্যনগর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন হিল্লোল, ধর্মপাশা উপজেলা কমিটির সদস্য ইমাম হোসেন, আব্দুল আউয়াল, শামীম আহমদ, হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জয়শ্রী ইউনিয়নের আহ্বায়ক শাহীন মাহমুদ, পাইকুরাটি ইউনিয়নের আহ্বায়ক সাফাওয়াত হোসেন,সদস্য সচিব মাছুম আহমদ, সেলবরষ ইউনিয়নের আহ্বায়ক টিটু মিয়া, সদর ইউনিয়নের সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, সাতারিয়া পাতারিয়া হাওর, টগার হাওর, সইলচাপা, বাঘরার হাওর, চিসরার হাওর, সোনামড়ল, টঙ্গী বাঁধ এলাকার হাওরসহ অন্যান্য হাওরে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় বহু কৃষকের ধান তলিয়ে গেছে, কৃষকরা জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ উদ্যোগে পাম্প দিয়ে পানি অপসারনের চেষ্টা করছেন, কারো সহযোগিতা পাচ্ছেন বলে জানান তারা। তারা বলেন তাদের ক্ষতিপূরণ নিরুপন করে দ্রুত ক্ষতিপূণ দিতে হবে, এই উপজেলায় খাল নদী খনন দ্রুত শুরু করতে হবে, প্রয়োজনীয় জায়গায় সুিচ গেইট নির্মাণ করতে হবে। হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে পিআইসি গঠন থেকে শুরু করে কাজের প্রাথমিক পর্যায়েই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিয়মান ছিলো। অতিরিক্ত বরাদ্দ, নিম্নমানের কাজ এবং অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে তারা বলেন, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন নিয়মিতভাবে কাজ করছে।
তারা আরও জানান, বিভিন্ন পিআইসি পরিদর্শন করে অনিয়মের তথ্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে কিন্তু দৃশ্যমান কার্যকর কোন ব্যবস্থা নিতে দেখিনি।
পাশাপাশি বক্তারা আরো বলেন অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মানের ফলে সুনামগঞ্জে হাজার হাজার হেক্টর বোরো ফসলি জমি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে, কৃষকরা সেই ধান আর রক্ষা করতে পারবেন কিনা শঙ্কায় আছেন। এই অপরিকল্পিত বাঁধ ও অপ্রয়োজনীয় পিআইসির কারণে কৃষকদের ক্ষতি হয়েছে, যারা এই অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করতে হবে, এবং সুনামগঞ্জ থেকে তাদের অপসারণ করতে হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।