প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
ফলোআপ দক্ষিণ সুরমার সুইপার কলোনীতে প্রকাশ্যে মাদকের হাট, অভিযানের দাবি
সিলেট এডিশন ডেস্ক
স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার ক্বিনব্রিজের নিচে অবস্থিত সুইপার কলোনী এখন ‘মিনি কাষ্টঘর’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে স্থানীয়দের কাছে। অভিযোগ উঠেছে, এই কলোনীজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে চলছে মাদক বেচাকেনা, যেখানে দিন-রাত সমান তালে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা, বাংলা মদ ও গাঁজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলোনীর বাসিন্দা নান্টু লাল নামের এক ব্যক্তি নিজ বসতঘর থেকেই মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তিনি পেশায় রেলের সুইপার হলেও তার বিরুদ্ধে অতীতেও মাদকসহ আটক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে এবং দক্ষিণ সুরমা থানায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাও রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, নান্টু লাল সম্প্রতি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তাহার সাথে রয়েছে মেথর পট্টির প্রকাশ্যে ইয়াবার বিক্রির হোতা সাগর, ইমন, রিপন লাল,বিললু লাল স্বপন লালগং।
তারা প্রকাশ্যে দাবি করছে যে, স্থানীয় পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করেই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন, ফলে তাদের কাছ থেকে মাদক কিনতে আসা কেউ ধরা পড়বে না। এ কারণে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর উঠতি বয়সের তরুণদের ভিড় জমে তার বাসার আশপাশে।
এলাকাবাসীর দাবি, নান্টু লাল কাষ্টঘর এলাকা থেকে মাদকের চালান এনে সুইপার কলোনীতে খুচরা বিক্রি করছেন। অথচ পুলিশ বা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর অভিযান চোখে পড়ছে না।
সম্প্রতি এক যুবক নান্টুর বাসা থেকে ইয়াবা কিনতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হন। পরে তিনি জনতার কাছে স্বীকার করেন যে, নান্টু লালের কাছ থেকেই তিনি মাদক সংগ্রহ করেছেন।
এদিকে, রেলের একজন কর্মচারী হয়েও নান্টু লালের বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, মাদক ব্যবসার অর্থের মাধ্যমে তিনি প্রভাবশালী মহলকে ‘ম্যানেজ’ করে চলেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভার্থখলাসহ আশপাশ এলাকার স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা মাদকের ভয়াবহ ঝুঁকিতে পড়বে।
এ অবস্থায়, সুইপার কলোনীতে জরুরি ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।