উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
# সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএনপি বিরোধী নেতিবাচক প্রচারণা
হাসান জুলহাস:: বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি পুরোনো ভুল বারবার ফিরে আসে—মাঠ দখল মানেই ভোট নিশ্চিত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি আবারও সেই পুরোনো ফাঁদে পা দিচ্ছে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে নির্বাচনী মাঠ বিএনপির জন্য ঐতিহাসিক সুযোগ এনে দিয়েছিল। কিন্তু সেই সুযোগ কতটা কাজে লাগানো যাচ্ছে, তা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে ক্রমেই সংশয় বাড়ছে। কারণ রাজনীতি শুধু স্লোগান, মিছিল আর শক্তি প্রদর্শনের নাম নয়—রাজনীতি শেষ পর্যন্ত আস্থার খেলা। ১৭ বছরের রাজনৈতিক বঞ্চনার পর বিএনপির একাংশ যেভাবে স্থানীয় পর্যায়ে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও প্রভাব বিস্তারে জড়িয়ে পড়েছে, তা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করছে। ফুটপাত কিংবা টেম্পু স্ট্যান্ডে চাঁদা দিতে বাধ্য হওয়া মানুষ রাজনীতিকে আর মুক্তির পথ হিসেবে দেখছে না—দেখছে নতুন ভোগান্তির উৎস হিসেবে। ঠিক এই জায়গাতেই জামায়াতে ইসলামী নীরবে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা মাঠে উত্তেজনা তৈরি না করে মানুষের দরজায় দরজায় কড়া নাড়ছে। কোনো হইচই নেই, নেই সংবাদ শিরোনাম হওয়া বিতর্ক—আছে কেবল পরিকল্পিত প্রচারণা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি। আজ বাস্তবতা হলো—যারা বিএনপিকে ভোট দিতে চেয়েছিল, তারাই এখন জামায়াতকে “ঝুঁকিহীন বিকল্প” হিসেবে ভাবছে। এটি বিএনপির জন্য অশনি সংকেত। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি যদি এখনই আত্মসমালোচনায় না যায়, তবে ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু একটি নির্বাচনের ফল নয়—একটি বড় রাজনৈতিক বার্তাও বহন করবে। তারেক রহমানের সিলেট আগমন কি পারবে ভোটারদের কাছে পিছিয়ে পড়া বিএনপিকে নতুনভাবে জাগিয়ে তুলে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে সুফল বয়ে আনতে। সেই প্রশ্নই এখন মানুষের মূখে মূখে উচ্চারিত হচ্ছ?