উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নিজস্ব প্রতিবেদক :: ওলিকুল শিরোমণি শাহজালাল ও শাহ্পরান এর স্থৃতিবিজরিত আধ্যাত্মিক নগরী সিলেটের ২৪ নং ওয়ার্ডের টুলটিকরের ঐতিহ্যবাহী অংকুর সাহিত্য পাঠাগারের নিয়মিত ২১তম সাহিত্য আসর ১৬ জানুয়ারী শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় পাঠাগার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাহিত্যপ্রেমী, শিক্ষানুরাগী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই আসরটি পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানে অংকুর সাহিত্য পাঠাগারের সভাপতি মুজাম্মেল হোসেন ইমন-এর সভাপতিত্বে এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কয়েস আহমদ সাগর-এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক বর্তমান বাংলা'র সিলেট ব্যুরোচীফ কামরুল হাসান জুলহাস। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,“সাহিত্য সমাজ বদলের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার। শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি একটি সমাজকে আলোকিত মানুষ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অংকুর সাহিত্য পাঠাগার এলাকায় শিক্ষা ও সাহিত্যচর্চায় অনন্য অবদান রেখে চলেছে। আজকের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যদি পড়াশোনার পাশাপাশি পাঠাগারমুখী হয়, বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে—তবে তারাই আগামী দিনে সমাজের নেতৃত্ব দেবে।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল অংকুর সাহিত্য পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও ছড়াকার সাজ্জাদ আহমদ সাজু-এর ৫৩তম জন্মদিন উদযাপন। কেক কাটার মধ্য দিয়ে তাঁর জন্মদিন উদযাপন করা হয়, যা অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য ও পাঠে অংশগ্রহণ করেন—দৈনিক কাজির বাজার পত্রিকার প্রতিনিধি সাংবাদিক শাহান আহমদ চৌধুরী, টুলটিকর পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি কাবুল আহমদ, টুলটিকর মহিলা মাদ্রাসার সভাপতি আনোয়ার উদ্দীন, ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি শাহীন আহমদ, পাড়া কমিটির সভাপতি আব্দুল হাফিজ মজনু মিয়া, আমেরিকা প্রবাসী শিক্ষানুরাগী লুৎফুর রহমান লুতন, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন, ববি মিয়া, দৈনিক বর্তমান বাংলার সিলেট ব্যুরো স্টাফ মুফিজুর রহমান নাহিদ, টুলটিকর মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, আবিদ হাসান অমিত, ফটো সাংবাদিক শাহিন আহমদ, মো. রাফি, মুশফিকুর রহমান জিসানসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছড়াকার সাজ্জাদ আহমদ সাজু আগামী দিনে সমাজে সাহিত্য, শিক্ষা, সমাজসেবা ও প্রবীণ ব্যক্তিদের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে “সুরেজা হাসিম স্মৃতি পদক” প্রদানের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সাহিত্য, সমাজ ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বল এমন আয়োজন স্থানীয় সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।