উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
১৮ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৪.০০ ঘটিকার সময় ইছামতি বাজারে স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিটি বনগাও মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা সিরাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং আব্দুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা হেলাল উদ্দিন, সাবেক মেম্বার সফিক আলী, সাবেক মেম্বার লালমিয়া, নিহতের ভাই ব্যবসায়ী ফজল করিম, নিহতের ভাগনা জাহিদ, মাওলানা আব্দুস সালাম, মনিরুজ্জামান, আহমদ আলী, রজব আলী, ময়না মিয়া মেম্বার, জাহাঙ্গীর আলম, নুরুজ্জামান প্রমূখ। এসময় এলাকাবাসীসহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন—গত ৩০ অক্টোবর প্রভাবশালী আওয়ামী ফ্যাসিস্ট চক্র কামরুলগংরা প্রকাশ্যে দিবালোকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মানিক মিয়াকে হত্যা করে। এরপর এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২২টি দোকান লুটপাট করে।, দুই গ্রামের সংঘর্ষের সময় কামরুল চক্রের হাতে নৃশংসভাবে খুন হন মানিক মিয়া। হত্যার পরও হামলাকারীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন হত্যা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মিথ্যা পাথর লোটের কাহিনী সাজিয়ে হয়রানী করে, এরপর গত ১৬ নভেম্বর রাতে কামরুল গংরা নিজের বসতঘরে আগুন লাগিয়ে হত্যা মামলার স্বাক্ষীদের হয়রানী করছে। আরো বলেন কামরুল একজন চিহ্নিত চোরাকারবারি, সে আরো একটি হত্যা মামলার আসামী। এছাড়াও তাহার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা রয়েছে।
বক্তারা বলেন, “মানিক মিয়ার হত্যাকারীদের যত দ্রুত সম্ভব গ্রেপ্তার করতে হবে। আমরা নিরাপদে থাকতে চাই। অপরাধীদের বিচার না হলে এলাকায় শান্তি ফিরে আসবে না।”
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা নিহত মানিক মিয়ার ওপর হামলার ছবিসহ প্ল্যাকার্ড ধারণ করেন এবং অপরাধীদের ছবি সংবলিত ব্যানার প্রদর্শন করেন।
আয়োজকরা জানান, যতক্ষণ পর্যন্ত প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার না করা হবে, ততক্ষণ তাদের আন্দোলন চলবে।
মানববন্ধন শেষে ভুক্তভোগী পরিবারকে সর্বাত্মক সহায়তা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান এলাকাবাসী।