প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫
সিসিকের কোটি টাকার জায়গা দখল করে পাকা দোকান নির্মাণ, উচ্ছেদ প্রক্রিয়া থমকে — জনমনে ক্ষোভ
সিলেট এডিশন ডেস্ক
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মালিকানাধীন প্রায় কোটি টাকা মূল্যের সরকারি জায়গা দখল করে সেখানে পাকা দোকান ও স্থাপনা গড়ে তুলেছে একদল ভূমিদস্যু। এলাকাবাসীর আপত্তি, অভিযোগ– কিছুতেই কর্ণপাত করেনি দখলদার চক্র। মাছিমপুর খেয়াঘাট ও সুরমাঘাট বরাবর সিসিকের মালিকানাধীন ২৫০ ফুট দীর্ঘ ও ১৫ ফুট প্রশস্ত এই জমিতে ইতোমধ্যে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি পাকা টিনসেড দোকান।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সুরমা নদীর তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণের জন্য সিসিক কিছু জায়গা সাময়িকভাবে খালি করে রেখেছিল। সেই জায়গার সাথেই রয়েছে পানিঘাট ও খেয়াঘাট। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর স্থানীয় প্রভাবশালী চাঁদাবাজদের সহায়তায় প্রায় ৫ ডেসিমেল সিসিক জমি দখল করে নেয় নেছার আহমদ, সফিক উদ্দিন, শাহাব উদ্দিন ও এনামুল খোকন। তারা পেশিশক্তির জোরে রাতারাতি পাকা টিনসেড দোকান কোটা নির্মাণ করে।
এলাকাবাসী জনস্বার্থে প্রতিবাদ জানালেও দখলদাররা তা উপেক্ষা করে। পরে বিষয়টি সিসিককে জানালে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী দখলদারদের বিরুদ্ধে দুই দফা নোটিশ জারি করেন। কিন্তু নোটিশ পাওয়ার পরও তারা অবৈধ দখল থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়।
অন্যদিকে অজ্ঞাত কারণে সিসিকের উচ্ছেদ অভিযান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি— দখলকৃত স্থানে অসম্পূর্ণ ওয়াকওয়ে নির্মাণ সম্পন্ন করা খেয়াঘাট ও নদীঘাট জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া
এ দাবিতে এলাকাবাসী গত ১৬ অক্টোবর সিসিক প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদনও করেছে। সিসিকের সংশ্লিষ্ট শাখাও বাসিন্দাদের আবেদন পাওয়া নিশ্চিত করেছে।
এ বিষয়ে জানতে রবিবার সিসিকের প্রশাসক খান মো. রেজাউন্নবীর মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।