প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫
কোম্পানীগঞ্জে কালভার্ট নির্মাণ' যাতায়াত ভোগান্তি চরমে!
সিলেট এডিশন ডেস্ক
স্টাফ রিপোর্টার: কোম্পানীগঞ্জের পশ্চিম বাঘারপাড় (হাতিমখাল) মরহুম মজমিল আলীর বাড়ির সন্নিকটে কালভার্ট নির্মাণ করা হলেও ভোগান্তি আর যাতায়াত করতে হয় মই বেয়ে! বাস্তবতার চিত্র সরেজমিনে গিয়ে দেখা মিলে কালভার্ট তৈরি হলেও দু'পাশে মাটি ভরাট না করায় যাতায়াতে এলাকার মানুষকে পড়তে হচ্ছে বিপাকে। বাজার থেকে বাশের তৈরি মই কিনে এনে এলাকাবাসীকে কালভার্টের ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
স্হানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ,কালভার্ট তৈরির কাজ প্রায় বছরখানেক শেষ হলেও দীর্ঘদিন ধরে দু'পাশে মাটি ভরাট না করে ফেলে রাখা হয়। ফলে চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা না রেখে কালভার্ট তৈরি করায় ভোগান্তিতে এলাকার মানুষ।জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পূর্বে বাঘারপাড় ও পশ্চিমে ঢোলাখাল পাকা রাস্তা হতে মরহুম মজমিল আলীর বাড়ির অভিমুখে রাস্তার ওপর ওই কালভার্টটি নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়।এলাকাবাসী জানায়, মোঃ কালা মিয়া ও জুয়েল আহমেদ ঠিকাদার হিসেবে কাজ পান আগে কালভার্ট তৈরির কাজ শেষ করে পাশে মাটি ভরাট না করে ফেলে রাখে। বাঘারপাড় গ্রামের আলী হোসেন (৪০) বলেন, ‘কালভার্টের পাশে মাটি না দেওয়ার কারণে তারা মই তৈরি করে যাতায়াত করতে হচ্ছে। বর্তমানে মই বেয়ে কালভার্টের ওপর উঠা-নামা করা করায় পড়তে হয়েছে বিপাকে। একই এলাকার ফয়জুল হক (৬০) বলেন কালভার্টের সাইডে মাটি ভরাট না থাকায় যাতায়াত অবস্থা নাজুক অবস্থায় ২দিন আগে রাতে এক মোটরসাইকেল আরোহী বাঁশের মইয়ে আটকে নিচে পরে আহত হন। ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কবির আহমদ বলেন, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের যাতায়াত খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।’এই রাস্তা দিয়েই তাদের প্রতিনিয়ত যাতায়াত করতে হয়। কালভার্টের পাশ দিয়ে বিকল্প রাস্তা না করায় যাতায়াতে ভোগান্তি বেড়েছে।’বাচ্চাদের নিয়ে মই বেয়ে কালভার্টের ওপর উঠা-নামা করতে ভয় লাগে। ঠিকাদার জুয়েল আহমেদ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কালভার্টটির পাশে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হবে পানি থাকায় মাটি ফেলতে অসুবিধা হচ্ছে তবে মাসখানেক লাগবে কাজ করতে। এলাকার মানুষের যাতায়াতের উপযোগী হয়ে যাবে। তখন কোন সমস্যা থাকবে না। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম শাওন ভুঁইয়া বলেন, ঠিকাদার কে কালভার্টের দু'পাশে মাটি ভরাট করার জন্য বলা হয়েছে। এরপরও যদি সম্পূর্ণ মাটি ভরাট করা না হয় তাহলে এলাকার মানুষের যাতায়াতের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে এবং কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেয়া হয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।