প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিয়ের তথ্য লুকিয়ে নতুন সংসার কারাগারে প্রবাসী নারী
সিলেট এডিশন ডেস্ক
নিজস্ব প্রতিবেদক: আগের বিয়ে ও সন্তানের তথ্য গোপন রেখে দ্বিতীয়বার বিয়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী এক নারীকে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নারীর নাম শারমিন সুরভী মৌসুমী। তিনি জন্মসূত্রে বাংলাদেশি এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন বলে মামলার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, পূর্বের বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখে শারমিন সুরভী মৌসুমী জাকের আহমেদ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন বলে অভিযোগ ওঠে। বিয়ের কিছুদিন পর জাকের আহমেদ জানতে পারেন, তার স্ত্রী এর আগেও বিবাহিত ছিলেন এবং তার সন্তান রয়েছে।
বিষয়টি জানার পর নিজেকে প্রতারণার শিকার দাবি করে জাকের আহমেদ আদালতের দ্বারস্থ হন। তার দায়ের করা মামলায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত শারমিন সুরভী মৌসুমীকে দোষী সাব্যস্ত করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান আফজাল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় বাদী ও সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনা করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত শারমিন সুরভী মৌসুমীকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।” তিনি আরও জানান, মামলায় শারমিনের পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যকে আসামি করা হয়েছিল। তবে তাদের বিষয়ে আদালত পৃথক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
রায় ঘোষণার পর বিষয়টি সিলেটজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে পূর্বের বৈবাহিক সম্পর্ক ও সন্তানের তথ্য গোপন রেখে নতুন করে বিয়ের অভিযোগে আদালতের দণ্ডাদেশকে কেন্দ্র করে নানা আলোচনা চলছে। তবে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে কি না কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত নারীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।