প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৫
গোয়াইনঘাটে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অভি এন্টার প্রাইজের প্রতারনা! বেপরোয়া বালুবাহী ট্রাকের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত রাস্তাঘাট
সিলেট এডিশন ডেস্ক
নিজস্ব সংবাদদাতা:: গোয়াইনঘাটের পশ্চিম জাফলং ও সদর ইউনিয়নে নেই কোনো বৈধ ইজারা—তবুও চলছে অবৈধ বালু তোলার মহোৎসব! প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ফের সক্রিয় হয়েছে বালু সিন্ডিকেট চক্র। সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মহোদয়ের কঠোর নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রতিদিন রাতে অবৈধভাবে শত শত ট্রাক বালু ভর্তি করে সড়কে নামানো হচ্ছে। এসব ট্রাকের বৈধতার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে হাদারপারের রশিদ—যা মূলত ইজারাবহির্ভূত এলাকায় বালু তোলাকে আড়াল করার হাতিয়ার। হাদার পাড়ের রশীদ মূলত নৌকার জন্য বৈধ। কিন্তু জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অভি এন্টার প্রাইজে গাড়ীর চালানে এই রশীদ ব্যবহার করে প্রতারনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ! অবৈধ বেপরোয়া বালুবাহী ট্রাকের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত গোয়াইনঘাট উপজেলার সোনারহাটের রাস্তাঘাট।
খোজঁ নিয়ে জানাযায়, গোয়াইনঘাট উপজেলার ২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন এবং ১২নং সদর ইউনিয়নের কোথাও বর্তমানে কোনো বৈধ বালু ইজারা নেই। কিন্তু স্থানীয় একটি প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ী চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব এলাকাতেই অবাধে বালু উত্তোলন করছে।
প্রতিদিন রাতের অন্ধকারে শত শত ট্রাক অবৈধভাবে বালু ভর্তি করে হাদারপারের রশিদ ব্যবহার করে বৈধতার কাগজ তৈরি করা হচ্ছে। এই বেপরোয়া বালুবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে গোয়াইনঘাট থেকে সোনারহাট পর্যন্ত পুরো রাস্তা বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। সড়কে তৈরি হচ্ছে বড় বড় গর্ত, ধুলাবালিতে জনজীবন হচ্ছে নাজেহাল।
এছাড়া, ভারী যানবাহনের চাপে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রীরাও পড়ছেন চরম দুর্ভোগে।
স্থানীয়দের অভিযোগ—প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যজনক। বারবার অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, “ডিসি সাহেবের নির্দেশনা থাকলেও মাঠে তা কার্যকর হচ্ছে না। উল্টো সিন্ডিকেট চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।”
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এই অবৈধ বালু ব্যবসা ও ট্রাক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।