প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৫
খাদিমপাড়ায় খাস জমি দখল ও টিলা কাটায় জড়িত চক্র সক্রিয়, বায়নার কোটি টাকা জামানের কবজায়
সিলেট এডিশন ডেস্ক
নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেটের খাদিমপাড়া ২ নম্বর রোডের ভেতরে ৯ নম্বর উপজাতি কুলি বস্তি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি চক্র সরকারি খাস জমি দখল, টিলা কাটা ও অবৈধভাবে বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে জানা যায়, চক্রটির সঙ্গে সাবেক বাগান কর্তৃপক্ষের ম্যানেজার শামীম কোরেশী, তার চৌকিদার ছাত্তার মিয়া গং, টিকাদার জামান, সাবেক মৃত চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ, তার ভাই মৃত সেলিম আহমদ, সাবেক মেম্বার মলন মিয়া, সাবেক যুবলীগ নেতা ও ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম—সহ একাধিক ব্যক্তি জড়িত আছেন।
এ ছাড়া, সাদিকুর রহমান নামে এক ঠিকাদার, সৈয়দপুর এলাকার বাসিন্দা, টিলা কাটার কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে এই অবৈধ কার্যক্রমে লিটন মিয়া, প্রদীপ, নীখিল মোড়া, বীরবল মোড়া, শুকুর আলী, আজাদ মিয়া, মিন্টু মোড়া, চিটু মোড়া, কুরেশ মোড়া, সাবেক জনপ্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন আনু মেম্বার, চামেলীবাগ, মোহাম্মদপুর ও খাদিমপাড়া এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন।
এদের সহযোগিতায় সিরাজ মিয়া, খোকন মিয়া, রুকন মিয়া, ইয়াবা ও সুদের ব্যবসায়ী পারভেজ এবং উমর আলী গং সহ আরও অনেকেই সক্রিয় বলে জানা গেছে।
অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, এই চক্রটি বিভিন্ন সময়ে সরকারি খাস জমি ও খাদিম চা-বাগানের জায়গা জবরদখল করে ‘বস্তি এলাকা’ হিসেবে পরিচিত করে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে অনুমোদনবিহীন বিক্রি-বাট্টা চালাচ্ছে। মামলার ভয় দেখিয়ে তারা নিজেদের ফায়দা হাসিল করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
কিছুদিন আগে চা বাগানের জমি উদ্ধারের নামে সার্ভেয়ার এনে মাপ দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে। এরপর জামান টিকাদার এর নেতৃত্বে চলে প্লট তৈরি ও বিক্রির কাজ। বিশ্বস্থ একটি সুত্র জানিয়েছে গত ২/৩ মাসে ৩০টি প্লটের বায়নামা হয়েছে। সেই বায়নামার কোটি টাকা জামানের কবজ্বায় রয়েছে। বায়নামাকৃত প্লট তিনমাড পর রেজিস্টারি করে দেওয়ার কথা। তার আগেই উপজেলা প্রশাসন অভিযান দিয়ে নির্মানাধীন টিনের ঘর ভেঙ্গে উচ্ছেদ করেছে। খাদিম চা বাগানের লীজ গ্রহিতা নীনা- আফজাল রশীদের আত্নীয়র পরিচয়ে এসব অপকর্ম করে যাচ্ছে।
এই বিষয়ে জানতে খাদিম চা বাগানের লীজ গ্রহিতা আফজাল রশীদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এই নামে আমার কোন আত্নীয় স্বজন নেই তবে ২০০৬-৭ সালে ঘর বানাতে একজন টিকাদার ছিলো, এখন নেই।
এ ব্যপারে সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন অবৈধ সব দখলদারদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। আমাদের অভিষান চলমান আছে।
স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ।
প্রকাশক ও সম্পাদক: কামরুল হাসান জুলহাস
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।